MOUNTAIN VIEW, CA - SEPTEMBER 02: The new Google logo is displayed at the Google headquarters on September 2, 2015 in Mountain View, California. Google has made the most dramatic change to their logo since 1999 and have replaced their signature serif font with a new typeface called Product Sans. (Photo by Justin Sullivan/Getty Images)

প্রথমবারের মত ভ্যাট প্রদান করেছে গুগল

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করা বহুজাতিক টেকজায়ান্ট গুগল প্রথমবারের মত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) জমা দিয়েছে । ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটে মে এবং জুন মাসের ব্যবসার ওপর যথাক্রমে ৫৫ লাখ ৭৭ হাজার এবং ১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

দুইমাসের মোট ২ কোটি ২৯লাখ ৫৪ হাজার টাকা গুগল তাদের সিঙ্গাপুরে থাকা আঞ্চলিক অফিস থেকে বহুজাতিক ব্যাংক সিটি ব্যাংক এনএ’র মাধ্যমে জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে ফেসবুকও বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ইতিহাসে প্রথমবারের মত ভ্যাট জমা দিয়েছে এনবিআরে। ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট সূত্রে জানা গেছে, ২৯ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফেসবুকও সিটিব্যাংক এনএ’র মাধ্যমে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়।
১৩ জুন ফেসবুক ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নিয়েছে ফেসবুক, যা ভ্যাট নিবন্ধন হিসেবে পরিচিত।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে ব্যবসা করার জন্য গত মে মাসে বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) নেয় টেক-জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগল ও আমাজন।
এনবিআর সূত্র জানায়, ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে তারা এই নিবন্ধন নেয়। গুগল ২৩ মে এবং ২৭ মে আমাজন ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে।

ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ায় এখন থেকে তারা বাংলাদেশে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করবে একইসঙ্গে ভ্যাটের টাকা নিয়মিত পরিশোধ করবে।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে জানা যায়, গুগল ‘এশিয়া প্যাসিফিক পিটিই লিমিটেড’ নামে ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে। আর আমাজন নিবন্ধিত হয়েছে ‘আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনকরপোরেশন’ নামে।
এছাড়া বাংলাদেশে তাদের পক্ষে ভ্যাট পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে ‘প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস বাংলাদেশ’।
বাংলাদেশে গুগল, ফেসবুক, অ্যামাজন, নেটফ্লিক্সসহ কয়েকটি বহুজাতিক টেক প্রতিষ্ঠান বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে অনেকদিন থেকেই এমন তথ্য দিয়ে আসছিলো এনবিআর। পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। এখাত থেকে বছরে বড় অংকের রাজস্ব আদায় হবে বলে আশা করে এনবিআর।