প্রতিকারহীন এ রাষ্ট্রে মানুষ গভীর হতাশায় নিমজ্জিত: মির্জা ফখরুল

প্রতিকারহীন এ রাষ্ট্রে মানুষ গভীর হতাশায় নিমজ্জিত: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, আইন ও বিচার সবকিছুতেই এখন একমাত্রিক, একদলীয় বৈশিষ্ট্য প্রকট। প্রতিকারহীন এ রাষ্ট্রের মানুষ এখন গভীর হতাশায় নিমজ্জিত।’

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমেদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, ‘সরকার নিজেদের পতনের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে, তাই মরণ কামড় দিতে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, গায়েবি ও বানোয়াট মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীই আওয়ামী সরকারের টিকে থাকার ভিত্তি, জনগণ নয়। তাই আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী বিরোধীপক্ষকে বন্দিশালায় আটকে রাখতে উন্মাদ হয়ে গেছে।’ বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিরোধীপক্ষকে নিষ্ঠুর দমন-পীড়নের মাধ্যমে দাবিয়ে রাখতে রাষ্ট্রশক্তিকে নির্লজ্জভাবে অপব্যবহার করছে। এদের হাতে গণতন্ত্র কখনোই সুরক্ষিত থাকেনি। এরা বারবার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের মাধ্যমে কর্তৃত্ববাদী একদলীয় দুঃশাসন কায়েম করেছে।’ ফখরুল আরও বলেন, ‘দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি যাতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে না পারে, সেজন্যই আওয়ামী সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দমন-নিপীড়ন চালাতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি এখন অমানবিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপিসহ বিরোধীপক্ষকে স্তব্ধ করে একটি নির্বাক জনসমাজ গড়ে তুলতে উঠেপড়ে লেগেছে ভোটারবিহীন আওয়ামী লীগ সরকার।’ বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘কিশোরগঞ্জে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ১০ নেতাকর্মীর জামিন বাতিল এবং তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাল্পনিক মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।’ এসময় আওয়ামী লীগ সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসন ও দমন-পীড়ন থেকে মুক্তি পেতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনলাইন ডেস্ক