পাসের হার কত?

পাসের হার কত?

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের গড় হার ৮৩ দশমিক শূন্য ৪। আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এই তথ্য জানিয়েছেন।

এবার ৯টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৭, মাদ্রাসা বোর্ডে ৭৯ দশমিক ৬৬, কারিগরি বোর্ডে ৮১ দশমিক ৩৮।

মোট ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সব পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মোট পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন।

গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে। ২০২৩ সালে ১১টি বোর্ডে পাসের গড় হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯। এবার পাসের হার বেড়েছে ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

তবে জিপিএ-৫ এর পরিমাণ গতবারের তুলনায় কমেছে। আগের বার জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন। কমেছে ১ হাজার ৪৪৯ জন।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সংখ্যা বেশি ছিল। সব পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৭৯৪ জন ছেলে এবং ১০ লাখ ২৪ হাজার ৮০৩ জন মেয়ে। পাসের হারেও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে। মোট উত্তীর্ণ ছাত্রের চেয়ে ৫৯ হাজার ৪৭ জন বেশি ছাত্রী পাস করেছে। ছাত্রদের চেয়ে ১৫ হাজার ৪২৩ জন ছাত্রী বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন মন্ত্রী। এর আগে সকাল ১০টায় বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন তিনি। পরে সকাল ১১টায় এসএসসি পরীক্ষার ফল স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হয়। এসএমএস-এর মাধ্যমেও ফল জানতে পারছে শিক্ষার্থীরা।

এবার সারা দেশে ২৯ হাজার ৮৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৭৯৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়। শতভাগ পাস করেছে ২ হাজার ৯৬৮টি প্রতিষ্ঠানে। আর ৫১টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল।

এসএসসির ফল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ব্রিফিং (ছবি: এস এম আববাস)

প্রসঙ্গত, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করার নিয়ম রয়েছে।

এবারের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৯২ হাজার ৮৭৮ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৩১ হাজার ৩১৪ জন।

৯টি সাধারণ বোর্ডের এসএসসিতে ১৬ লাখ ৬ হাজার ৮৭৯ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিলে ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৪০ জন, কারিগরি বোর্ডের এসএসসিতে (ভোকেশনাল) ১ লাখ ২৬ হাজার ৩৭৩ জন পরীক্ষার্থী ছিল।