পাকিস্তান নির্বাচনে কারচুপির তদন্তে মার্কিন নির্দেশনা প্রত্যাখ্যান করেছে

পাকিস্তান নির্বাচনে কারচুপির তদন্তে মার্কিন নির্দেশনা প্রত্যাখ্যান করেছে

বাইরের দেশের হুকুমের কাছে নতি স্বীকার করবে না পাকিস্তান। নির্বাচনে কারচুপির তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শকে প্রত্যাখ্যান করে, এ কথা বলেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর। শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।   

শুক্রবার সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে, পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মমতাজ জাহরা বালোচ স্পষ্টভাবে বলেন, পাকিস্তান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। অন্য যে কোনও দেশ পাকিস্তানকে তাই নির্দেশ দিতে পারে না।

৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের জেরে জাহরা আরও বলেন, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিজস্ব সার্বভৌম অধিকারে বিশ্বাস করে পাকিস্তান।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছিলেন, নির্বাচনে হস্তক্ষেপ বা জালিয়াতির যে কোনও দাবি পাকিস্তানের নিজস্ব আইন ও পদ্ধতি অনুসারে নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা উচিত।

দেরিতে ফলাফল প্রকাশ করায়, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) এর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে পিটিআই-সমর্থিত প্রার্থীরা জোরালোভাবে এ অভিযোগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

অবশ্য এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে, আদালত ও উপযুক্ত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব অভিযোগের প্রতিকার করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসিপি।

এদিকে মার্কিন ডেমোক্রেটিক পার্টির গ্রেগোরিও ক্যাসারের নেতৃত্বে প্রায় ৩৫ কংগ্রেস সদস্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে চিঠি লিখে, পাকিস্তানের নতুন সরকারকে স্বীকার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

যদিও এই চিঠির বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি জাহরা। তবে বলেছেন, এই চিঠি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাদের সাথে এর কোন যোগ নেই বলেও উল্লেখ করেছেন জাহরা।