পাকিস্তানের নৌ-ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা

পাকিস্তানের নৌ-ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২৫ মার্চ রাতে তুরবাত শহরে অবস্থিত এই নৌ ঘাঁটিতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। নিরাপত্তা বাহিনী সফলভাবে সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। এসময় নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে সামরিক বাহিনীর মিডিয়া বিবৃতিতে।

মিডিয়া বিবৃতিতে পাকিস্তান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা গত রাতে তুরবতে পিএনএসের একটি ঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা করেছিল। নিরাপত্তায় নিয়োজিত সৈন্যদের দ্রুত এবং কার্যকর প্রতিক্রিয়ায় সন্ত্রাসী হামলাটি ব্যর্থ হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সৈন্যরা জীবন বাজি রেখে ঘাঁটিতে অবস্থানরত কর্মীদের এবং সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এসময় একজন সৈনিক শহীদ হয়েছেন এবং চার সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে আইএসপিআর।

আইএসপিআর বলছে, নৌ ঘাঁটি এলাকায় যখন সন্ত্রাসীরা গোলাগুলি শুরু করে তখন নৌবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য আশপাশের এলাকা থেকেও নিরাপত্তা বাহিনীকে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে একত্রিত করা হয়েছিল। সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়মূলক এবং কার্যকর প্রতিক্রিয়ায় পরবর্তী যৌথ ক্লিয়ারেন্স অপারেশনে চার সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে আইএসপিআরের বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী এবং সৈন্যদের মধ্যে তীব্র গুলি বিনিময়ের সময় ২৪ বছর বয়সী তরুণ সিপাহি নোমান ফরিদ শাহাদাত বরণ করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এলাকায় অবস্থানরত অন্য সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার জন্যও স্যানিটাইজেশন অপারেশন চালানো হচ্ছে।

এই হামলার এক সপ্তাহ আগে পাকিস্তান গোয়াদর বন্দর কর্তৃপক্ষের (জিপিএ) কলোনিতে হামলা চালায় একদল বন্দুকধারী। নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত এবং কার্যকর প্রতিরোধ সেই ভয়ংকর হামলাকে ব্যর্থ করে দেয়। সেসময় আইএসপিআর জানিয়েছিল, নিরাপত্তার জন্য নিযুক্ত সৈন্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয় এবং কার্যকরভাবে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করে। সেই হামলায় আট সন্ত্রাসী নিহত হয়।

নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় বলেও জানিয়েছিল আইএসপিআর।