• মঙ্গল. অক্টো ২৬, ২০২১

স্বাভাবিক হয়ে পর্দায় ফিরছেন শিল্পা

আগ ১৮, ২০২১

পর্নোকাণ্ডে স্বামীর রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে আলোচনায় এসেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। আলোচনার পাশাপাশি ব্যাপক সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে। মুম্বাই পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন শিল্পা। রাজ কুন্দ্রাকে সামনে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল শিল্পা শেঠিকে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে, স্বামীকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন শিল্পা। তারপর রাজ-শিল্পার নামে প্রতারণা মামলা দায়ের হয়েছিল। সবমিলিয়ে কয়েক মাস ধরে তুমল ঝড় বয়ে গেছে শিল্পা শেঠির ওপর দিয়ে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছেন শিল্পা শেঠি।

শোনা যাচ্ছে, জটিলতা কাটিয়ে পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন তিনি। ‘সুপার ডান্সার ৪’ প্রতিযোগিতায় বিচারকের আসনে বসার কথা ছিল শিল্পার। পরে তার জায়গায় অন্য কাউকে নেওয়া কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু এবার অনুষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িতরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিল্পার বিপরীতে কাউকে নেওয়া হবে না। শুধু অপেক্ষা করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিল্পা ফিরবেন। শিল্পার পর্দায় ফেরা শুধু সময়ের ব্যাপার। এমনটাই জানা গেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে। এর আগে অনুষ্ঠানের তিনটি সিজনের বিচারকের আসনে বসেছিলেন শিল্পা শেঠি। এবারও বলিউড পরিচালক অনুরাগ বসু এবং কোরিওগ্রাফার গীতা কাপুরের সঙ্গে এক আসনে বসতে যাচ্ছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠানটির শুটিং। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছে একটি সূত্র।

শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ফাঁস হয়েছে রাজের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। তারপরই বড়সড় বিপাকে পড়েন শিল্পা। এরপর টানা ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এ অভিনেত্রীকে। পরে পর্নোকাণ্ডে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিল্পা। বিবৃতিতে শিল্পা বলেন, গত কয়েক দিন প্রতিটি মুহূর্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। অনেক গুজব ও অভিযোগ উঠেছে। আমার ওপর অযৌক্তিক আক্রমণ করা হয়েছে। যাদের শুভাকাঙ্ক্ষী মনে করতাম তারাও আমাকে আক্রমণ করেছেন। আমি এখনও মন্তব্য করিনি। কারণ এটি বিচারাধীন, তাই দয়া করে আমার পক্ষ থেকে মিথ্যা বক্তব্য হিসেবে কোনো মন্তব্য প্রকাশ করবেন না। শিল্পা আরও বলেন, মুম্বাই পুলিশ এবং ভারতীয় বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা আছে। একটি পরিবার হিসেবে, আমরা আমাদের সব আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি। সম্পূর্ণ বিষয়টি না জেনে, মন্তব্য না করার অনুরোধ রইল। আমার পরিবার এবং আমার অধিকারকে সম্মান করুন। আমরা মিডিয়া ট্রায়াল চাই না। দয়া করে আইনকে তার পথে চলতে দিন।