• রবি. অক্টো ২৪, ২০২১

নওগাঁয় আরও ১২৫ জনের করোনা শনাক্ত, দুজনের মৃত্যু

জুন ২৫, ২০২১
রাজশাহীতে করোনায় আরও ১০ জনের প্রাণ গেল

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের করোনা–সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৯টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে ১২৫ জনের করোনা পজিটিভ আসে। শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৭৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। গত বুধবার ২৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। গত মঙ্গলবার ২২৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত সোমবার ৭২৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

নওগাঁর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও বগুড়ার টিএমএসএস হাসপাতালের আরটি-পিসিআর ল্যাবে ১৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬১ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নওগাঁ সদর হাসপাতালসহ জেলার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৩ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। নতুন শনাক্ত লোকজনের মধ্যে সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৬৭ জন। এ ছাড়া রানীনগর উপজেলায় ৭, আত্রাইয়ে ৪, মহাদেবপুরে ১৫, মান্দায় ১২, বদলগাছিতে ৭, পত্নীতলায় ৭, নিয়ামতপুরে ১, সাপাহারে ৩ ও পোরশায় ২ জন শনাক্ত হয়েছেন।

নওগাঁয় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ২৩ এপ্রিল। এ পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৮২। জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭২ জন। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭১ শতাংশ।

করোনার সংক্রমণ রোধে ৩ জুন থেকে নওগাঁ জেলার কয়েকটি উপজেলায় সপ্তাহব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এই লকডাউন শেষে পরে পুরো জেলায় বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা বিধিনিষেধ এখনো চলছে।

অসচেতনতার কারণে সংক্রমণ বাড়ছে
জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির ফোকাল পারসন ও ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন, লকডাউন ও বিধিনিষেধের মধ্যেই জেলায় করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। এখন একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছেন। গ্রামের লোকজন স্বাস্থ্যবিধি না মানায় লকডাউন ও বিধিনিষেধ খুব একটা কাজে আসছে না। মানুষের অসচেতনতার কারণেই করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হচ্ছে। সবাই যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনার সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো।

 

সুত্রঃ প্রথম  আলো