দুই দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করল পাকিস্তান

দুই দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করল পাকিস্তান

পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে দুই দেশের সঙ্গে তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বেলুচ বলেন, আফগানিস্তান ও ইরানের সঙ্গে আজ সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ দুই সীমান্ত দিয়ে কার্গো ও হেঁটে পারাপার বন্ধ রয়েছে। মূলত জাতীয় নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তার স্বার্থে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মুখপাত্র বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আফগানিস্তানও ইরানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ দুই দেশের সীমান্ত দিয়ে পণ্য ও হেঁটে পারাপার বন্ধ থাকবে। আগামীকাল (৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে স্বাভাবিক সেবা পুনরায় চালু হবে।

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের মন্তব্যেরও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুমতাজ। তিনি বলেন, পাকিস্তান তার নির্বাচনী আইন অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।

এর আগে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ উপলক্ষে দেশজুড়ে মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে দেশজুড়ে মোবাইল পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে; যা দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে বিঘ্ন করছে। এ জন্য নিরাপত্তা হুমকির বিরুদ্ধে সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

পাকিস্তানের এ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকার বেছে নেবেন ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার। এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আইনসভার জন্য পাঁচ হাজার ১২১ জন এবং প্রাদেশিক আইনসভার জন্য ১২ হাজার ৬৯৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দেশটিতে ভোট চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং পুলিশের ৫০ হাজার সদস্য। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী এবং রাজনৈতিক কর্মীদের অবস্থান না করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।