• মঙ্গল. অক্টো ২৬, ২০২১

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফল নিয়ে বিক্ষোভ, গেটে তালা

আগ ১৮, ২০২১

বাংলাদেশের গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করছে একদল শিক্ষার্থী, যার জের ধরে সকাল থেকেই অবরুদ্ধে হয়ে আছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের। তাদের অভিযোগ তাদের অনার্স ফাইনাল পরীক্ষার যে ফল প্রকাশিত হয়েছে তাতে বড় ধরনের গরমিল হয়েছে।

অনার্স পরীক্ষার এ ফল কোরবানি ঈদের আগের রাতে অর্থাৎ ২০ জুলাই প্রকাশ করেছিলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, যাতে পাশের হার ৭২ শতাংশ।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মশিউর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন এ বিক্ষোভ অযৌক্তিক, কারণ পরীক্ষার খাতা দেখা বা নম্বর দেয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ভূমিকা নেই।

“খাতা দেখেন শিক্ষকরা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র সেই নাম্বার নিয়ে ফল প্রকাশ করে। আর যেই ফল নিয়ে আপত্তি তোলা হচ্ছে সেই ফলে ৭২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। এরপরেও কেউ আবেদন করলে তার খাতা পুন:নিরীক্ষণ অর্থাৎ শিক্ষক যে নাম্বার দিয়েছে সেটা ঠিক মতো টেবুলেশন শীটে এসেছে কি-না তা চেক করা যেতেই পারে,

প্রসঙ্গত, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করে না বরং এর অধিভুক্ত কলেজ, প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান ও ইন্সটিটিউটের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। কলেজের অনুমোদন দেয়া, পাঠ্যক্রম নির্ধারণ করা, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশের মতো কাজগুলো এ প্রতিষ্ঠানের হাতে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করলেও পরীক্ষার খাতা দেখে নম্বর দিয়ে থাকেন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই।

তবে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন তারা মনে করেন তাদের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের রেজাল্টে কোন কোন বিষয়ে বেশি করে ফেল দেখানো হয়েছে যা অস্বাভাবিক। এ কারণেই এটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে নতুন করে পরীক্ষা গ্রহণ করার সুযোগ আছে বলে মনে করেন তারা।

যদিও উপাচার্য বলছেন, “অল্প কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছে। তাদের পাশ করানোর জন্য পরীক্ষার আয়োজনের কোন নিয়ম বা সুযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। বরং তাদের উচিত ভালো করে প্রস্তুতি নিয়ে ওই বিষয়ে আবারো পরীক্ষা দেয়া”।