গ্লাভস পাওয়ার পর অশ্লীল ভঙ্গি করে বিতর্কের মুখে গোলরক্ষক মার্তিনেজ

গ্লাভস পাওয়ার পর অশ্লীল ভঙ্গি করে বিতর্কের মুখে গোলরক্ষক মার্তিনেজ

কাতার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনা। আর এ বিশ্বকাপ জয়ে যার কৃতিত্ব  সব থেকে বেশি তিনি হলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। রোববার বিশ্বকাপের ফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্তিনেজ গ্লাভস পাওয়ার পর অশ্লীল ভঙ্গি করেন, যেটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা নিয়ে তোলপাড় বিশ্ব ফুটবল।

মার্তিনেজের কারণেই আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠতে পেরেছিল। তার দুরন্ত পারফরম্যান্স বারবার প্রতিহত করেছে বিপক্ষকে। কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে ম্যাচ জেতানোই হোক বা দুরন্ত ছন্দে ফিল্ড গোল বাঁচানো— হিরোর ভূমিকা নিয়েছেন মার্টিনেজ। যার সুবাদেই তিনি টুর্নামেন্টের সেরা গোলকিপার হয়ে জিতে নিয়েছেন গোল্ডেন গ্লাভসও। কিন্তু সেই গ্লাভস নিয়ে অশ্লীল ভঙ্গি করেই বিতর্কে জড়ালেন মার্তিনেজ। স্টেডিয়াম এবং টিভি মিলিয়ে কোটি কোটি মানুষ দেখলেন, সেলিব্রেশনের নামে পুরস্কার পাওয়া গোল্ডেন গ্লাভস মার্টিনেজ তার গোপানাঙ্গে ঠেকিয়া অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেন, যা নিয়েই শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেনি ফুটবলবিশ্ব। মার্টিনেজের এমন কুৎসিত কাজের জেরে তাকে সমালোচনায় ভরিয়ে দিচ্ছেন সবাই।

তবে লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে উচ্ছ্বসিত মার্তিনেজ। তিনি এসব বিতর্ক নিয়ে মোটেও মাথা ঘামাচ্ছেন না। টাইব্রেকারে পেনাল্টি সেভ করার আসল রহস্যও তিনি উন্মোচন করেছেন। সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি পেনাল্টির সময় মাথা ঠাণ্ডা রেখেছিলাম। ওরা ম্যাচে ৩টি শটে গোল করেছে। কিন্তু তার পরও আমি নিজেকে ঠাণ্ডা রেখেছিলাম। জানতাম, শান্ত থাকতে পারলে ঠিক সেভ করে দেব। মার্তিনেজ আরও বলেন, ‘আমি খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছি। এই জয় পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই। পুরো পেনাল্টি শুটআউটে আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করেছি। এটিই আমার স্ট্র্যাটেজি ছিল।