করোনায় মারা গেলেন হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম ফজলুর রহমান মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিচারপতি এ কে এম ফজলুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়ে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন।

বিচারপতি ফজলুর রহমানের পিতার নাম সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, মা জাহানারা বেগম। ১৯৪৬ সালের ১৫ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। এলএলবি শেষ করে ১৯৬৯ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৭৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মুনসেফ হিসেবে যোগ দেন। এরপর ১৯৮৯ সালের ১৫ জুন জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০২ সালের ২৯ জুলাই হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর তিনি স্থায়ী হন। পরে হাইকোর্ট থেকে অবসরে যান। এর আগে, রোববার (১ আগস্ট) দুপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মঞ্জু নাজনীন রোজী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান (এফ আর) খান বলেন, প্রায় ২০ দিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মঞ্জু নাজনীন রোজী বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নাজনীন রোজীর গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। তিনি আইন  অঙ্গনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। শোক প্রকাশ করে আইনজীবী সমিতি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।