ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

দেনা বাড়তে থাকায় ইভ্যালির অর্ডারের বিপরীতে দেশজুড়ে গ্রাহকের ঠিকানায় কিছুদিন বিলিকরণসেবা চালিয়ে যায় পেপারফ্লাই। কিন্তু এই সময়ে বকেয়া নিষ্পত্তিতে বেশ ঝুঁকিতে পড়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেপারফ্লাইয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা কয়েকবার বকেয়া আদায়ে আলোচনার উদ্যোগ নিলেও ইভ্যালির কাছ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। আমরা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ সোমবার পেপারফ্লাইয়ের পক্ষ থেকে ইভ্যালির ঠিকানায় উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী শুধু ব্যবসায়ীদের কাছে ইভ্যালির বকেয়া ২০৫ কোটি টাকার ওপরে। সাধারণ মানুষকে বাজারের চেয়ে কম দামে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা নেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে সাইক্লোন (পরবর্তী সময়ে টিটেন নামকরণ) অফার দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ আছে ইভ্যালির বিরুদ্ধে। টাকা নিয়ে পণ্য না দেওয়ার চর্চা ই-কমার্স খাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করেছে।  বাংলাদেশ ব্যাংকের করা অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গ্রাহক এবং ব্যবসায় অংশীদারদের কাছে ৪০৩ কোটি টাকার দেনায় থাকলেও ইভ্যালির অস্থাবর সম্পদের মূল্য মাত্র ৬৫ কোটি টাকা। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে।

Related Posts