আতঙ্কে দিন কাটছে ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তবাসীর

আতঙ্কে দিন কাটছে ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তবাসীর

চরম আতঙ্কের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বাসিন্দারা। মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের জের ধরে গত সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে বদলে যায় পরিস্থিতি।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের ওপারে প্রচণ্ড গোলাবারুদের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন সীমান্তের বাসিন্দারা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তমব্রু সীমান্তের ওপারে প্রচণ্ড গোলাবারুদের শব্দ শোনা গেছে। গোলাগুলির শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো সীমান্ত এলাকা। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সীমান্তবাসী। অনেকেই ঘর ছেড়ে নিরাপত্তাজনিত কারণে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হন।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, সোমবার রাতে থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুমধুম সীমান্তের কাছে কোনোপ্রকার গোলাবারুদ বা মর্টার শেলের শব্দ শোনা যায়নি। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকে আবারও থেমে থেমে শব্দ শোনা গেছে। তবে তা সীমান্তে থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে। ধারণা করা হচ্ছে সেখানে মর্টার শেল ও গোলা নিক্ষেপ করা হচ্ছে।

ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সীমান্ত পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত মানুষজন। ঘুমধুম সীমান্তবর্তী স্থানীয় অনেকেই নিরাপত্তাজনিত কারণে রাতের বেলায় অন্যত্র চলে গেছেন। গোলাগুলির শব্দ ক্রমাগত সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় এই অবস্থা হয়েছে।